ইরানে একটি সামরিক অভিযানের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি ওয়ার রুমের ধারাবাহিক আপডেট থেকে কিছুটা দূরে রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়—সহকারীরা প্রতি মুহূর্তের তথ্য না দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে তাকে ব্রিফ করতেন। তাদের ধারণা ছিল, ট্রাম্পের অধৈর্য স্বভাব পরিস্থিতি সামাল দিতে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
খবরে আরও বলা হয়, একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়ে দুইজন বিমানসেনা নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়ার পর ট্রাম্প দীর্ঘ সময় ধরে সহকারীদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং উচ্চস্বরে চিৎকার করতেন।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, ইউরোপীয় দেশগুলো কোনো ধরনের সহায়তা করছে না। পাশাপাশি তিনি ইরানের ইসলামি বিপ্লবের প্রসঙ্গ টেনে সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের উদাহরণ দেন এবং মন্তব্য করেন, ওই ঘটনা নির্বাচনে তাদের পরাজয়ের কারণ হয়েছিল।
প্রতিবেদনটি জানায়, ট্রাম্প দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দিলেও বাস্তবে নানা লজিস্টিক জটিলতা ছিল। কারণ ১৯৭৯ সালের পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভূখণ্ডে সরাসরি কোনো সামরিক অভিযান চালায়নি।
ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ দখলের সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়েও ট্রাম্প আপত্তি জানান। তাকে জানানো হয়েছিল যে অভিযান সফল হতে পারে, কিন্তু সম্ভাব্য হতাহতের ঝুঁকি বিবেচনায় তিনি সতর্কতা প্রকাশ করে বলেন, এতে সংশ্লিষ্ট বাহিনী সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে।
মন্তব্য করুন