news editor
প্রকাশ : Mar 7, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

এমন দেশ গড়তে চাই, যেখানে নারী-পুরুষ সমান অধিকার ভোগ করবে

বিশ্বে জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। নারীদের রাষ্ট্র সরকার ও রাজনীতির মূলধারার বাইরে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে নারী-পুরুষ সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে।’

‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে এ মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

দিবসটি উপলক্ষে আমি বিশ্বের সব নারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। এ প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করি।”

তিনি বলেন, ‘বিশ্বে জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী।

নারীদের রাষ্ট্র সরকার ও রাজনীতির মূলধারার বাইরে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিশেষ করে, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে ঘরে-বাইরে সামগ্রিক উন্নয়নের সুফল সম্ভব নয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশে জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী। নারীদের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছিলেন।

শহীদ জিয়ার শাসনামলে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে ‘নারী বিষয়ক দপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় ‘মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ যা পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে ১৯৯৪ সালে ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’-এ রূপান্তরিত হয়েছিল।”

নারীর আর্থ-সামাজিক ক্ষমতায়নে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন। বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নে এটি ছিল একটি বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত। একই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করেছে।

সরকার শিক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও রাজনীতিসহ সব স্তরে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনা মূল্যে শিক্ষা চালু করা, উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, মেয়েদের জন্য ফ্রি স্কুল ইউনিফর্ম, ডিজিটাল লার্নিং সুবিধা এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা। সরকার নারীর নিরাপত্তা বিধানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সাইবার বুলিং এবং অনলাইনে নারীর বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে।’

তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে নারী-পুরুষ সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে। সম্মান ও মর্যাদা এবং নিরাপত্তা নিয়ে পরিবার, রাষ্ট্র ও সমাজে কাজ করবে। আমাদের বিদ্যমান সমাজে সমতা হোক অঙ্গীকার, মর্যাদা হোক বাস্তবতা, আর ক্ষমতায়ন হোক উন্নয়নের ভিত্তি। আমি ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করছি।”

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য এসেছি: নাহিদ ই

1

ঢাকা-১৩ আসনে ভোটার তালিকায় গরমিলের অভিযোগ ববি হাজ্জজের

2

বিএনপির নয়া মন্ত্রিসভায় পুরাতনের পাশাপাশি থাকছে নতুন মুখ

3

শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: ফরেনসিক প্রতিবেদনে উঠে এলো গা শিউরে

4

রূপপুর প্রকল্পে ৯০% ঋণ রাশিয়ার, ২৮ বছরে পরিশোধ করবে বাংলাদেশ

5

হোস্টেলের দরজা ভেঙে ছাত্রের ঘুম ভাঙালো পুলিশ-ফায়ার সার্ভিস!

6

একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

7

‘৭২-এর সংবিধান মোতাবেক শেখ হাসিনা এখনও দেশের প্রধানমন্ত্রী’

8

সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

9

ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন না হওয়া পর্যন্ত হামলা অব্যাহত থাকবে

10

সারাদেশে ৭ লাখ ৭১ হাজার ভোটার স্থানান্তর, বিএনপি বলছে অস্বাভ

11

উত্তেজনা বাড়লে ইরানই ক্ষতিগ্রস্ত হবে: হুমকি সৌদি আরবের

12

২০০ পর্যবেক্ষক নিয়ে ইউরোপীয় ইউ‌নিয়ন মাঠে নামছে আজ

13

ইরানের তেলক্ষেত্র লক্ষ্য করে প্রথমবারের মতো ইসরায়েলের হামলা

14

বাংলাদেশের পাশে সম্পূর্ণভাবে থাকার ঘোষণা পাকিস্তান প্রধানমন্

15

সুর নরম হলো ইসরায়েলি মন্ত্রীর, বললেন ‘অন্তহীন যুদ্ধ’ চাই না

16

২৪৪ কর্মকর্তাকে সহকারী কমিশনার পদে পদায়ন

17

৩০ দিন অতিবাহিত হলেও বসেনি সংবিধান সংস্কার পরিষদ: বিরোধীদলীয

18

তৃতীয় দফায় অস্ত্রোপচারের টেবিলে অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি

19

দিল্লিতে পার্ক করা গাড়ির বহরে ভয়াবহ আগুন

20
ফটোকার্ড বানাতে ক্লিক করুন